মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি হলেন— পুলিশের সাবেক সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়। তারা দুজনেই বর্তমানে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন। মামলার তথ্য ও সাক্ষ্যপ্রমাণ বিশ্লেষণ করে আদালত এই সর্বোচ্চ সাজার আদেশ দেন। এ ছাড়া আদালত বেরোবি শিক্ষক মশিউর রহমান ও আসাদুজ্জামান মণ্ডলকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। একই সঙ্গে বেরোবি ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি পোমেল বড়ুয়াকে ১০ বছর এবং ছাত্রলীগের আরও ৫ নেতাকে ৩ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত জানান, নিরস্ত্র আবু সাঈদের ওপর সরাসরি গুলি চালিয়ে হত্যা করা ছিল মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। বিচারিক প্যানেলের অন্য দুই সদস্য ছিলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর। এই রায়ের মাধ্যমে জুলাই আন্দোলনের প্রথম সারির শহীদ আবু সাঈদের পরিবার ন্যায়বিচার পেল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা। রায় ঘোষণার সময় আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছিল এবং সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা গেছে।