
বাংলার প্রতিচ্ছবি: রাজধানীর রাজপথ পেরিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে আসা নেতা-কর্মীদের উপস্থিতি, জিয়ার মাজারের আশপাশের শান্ত পরিবেশ আর সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে দলীয় প্রধানের ব্যাখ্যা। বিশ্বরাজনীতি ও যুদ্ধ পরিস্থিতির ধাক্কা যখন বাংলাদেশের গৃহস্থালি ও কলকারখানায় এসে পড়ছে, তখন দেশের বিদ্যমান গ্যাস ও এলএনজি সংকটের প্রেক্ষাপটে সরকারের অবস্থান ও দায়বদ্ধতার কথা তুলে ধরলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব।
যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে এবং এর সরাসরি প্রভাব দেশে গ্যাস সরবরাহে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। আজ রোববার সকালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সামনে তিনি এ কথা বলেন।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, বর্তমান গ্যাস ও এলএনজি সংকটের বড় একটি কারণ প্রাকৃতিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি। যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে দেশের গ্যাস ও এলএনজি সরবরাহে। এর ফলে বিভিন্ন এলাকায় আবাসিক খাতে গ্যাস সংকট তৈরি হয়েছে এবং কোথাও কোথাও শিল্প কলকারখানার উৎপাদন ও স্বাভাবিক কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে।
সংকট সত্ত্বেও জনকল্যাণে উদ্যোগের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তারপরও সরকার জনগণের সামাজিক সুরক্ষা অব্যাহত রাখার চেষ্টা করছে। দেশের যেসব অঞ্চলে সংকট তীব্র, সেসব জায়গায় জনগণের পাশে থেকে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।’
এ সময় রিজভী উল্লেখ করেন, সরকারের প্রতিটি কর্মকাণ্ডে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে। জনকল্যাণ, সামাজিক সুরক্ষা ও জনসেবাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে একটি দায়িত্বশীল সরকার কীভাবে পরিচালিত হতে পারে, তার দৃষ্টান্ত বর্তমান সরকার ইতোমধ্যে স্থাপন করেছে এবং আগামী দিনেও এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।
শ্রদ্ধা নিবেদন ও দোয়ার সময় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মো. জহির উদ্দিন স্বপনসহ দলীয় বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।